সকাল ১০:১৮
বিএনপি’র শুভ বুদ্ধির উদয় হবে : আইনমন্ত্রীদুর্নীতির বিরুদ্ধে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা : প্রধানমন্ত্রীদুর্নীতির বিরুদ্ধে সবরকম ব্যবস্থা গ্রহণ করবোস্ত্রীর জন্মদিন ভুললেই ডিভোর্স!স্বজনপ্রীতি হচ্ছে দুর্নীতির উল্টো পিঠযেই দুর্নীতি করুক ছাড় দেয়া হবে না : গণপূর্তমন্ত্রীআন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০১৯ এর আন্তঃমন্ত্রণালয় সভাপ্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হলেন জয়সৌদির ধর্মত্যাগী সেই কিশোরী নাম পাল্টালেনজাতিসংঘের এক তৃতীয়াংশ কর্মীই যৌন হয়রানির শিকার

অর্থ পাচারের মামলা বাবুল চিশতির ছেলের জামিন আবদন নাকচ

আদালত প্রতিবেদক:
অর্থ আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগে করা রাজধানীর গুলশান থানার একটি মামলায় ফারমার্স ব্যাংক লিমিটেডের অডিট কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান মাহবুবুল হক চিশতীর ছেলে রাশেদুল হক চিশতীর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।

রোববার ঢাকা মহানগর হাকিম কনক বড়ুয়া শুনানি শেষে তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।
গুলশানের অর্থ আত্মসাত ও পাচারের মামলায় রাশেদুল হক চিশতির পক্ষে আইনজীবীরা জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তা নামঞ্জুর করে দেন।
গত ১০ এপ্রিল দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) একটি দল রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে বাবুল চিশতীসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করে। বাবুল চিশতী ছাড়া অন্যরা হলেন- চিশতীর ছেলে রাশেদুল হক চিশতী, ব্যাংকের এসভিপি জিয়াউদ্দিন আহমেদ ও ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট মাসুদুর রহমান খান। গুলশান থানায় করা দুর্নীতির মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে ১৬০ কোটি টাকা আত্মসাৎ এবং মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগ আনা হয়।

গ্রেপ্তারের পর আদালত তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বাবুল চিশতিকে ৫ দিন। এরপর ১৯ এপ্রিল দু’দিন মঞ্জুর করেন। রিমান্ড শেষে ২৬ এপ্রিল বাবুল চিশতিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। বর্তমানে তিনি কারাগারেই আছেন।
এর আগে ফারমার্স ব্যাংকের জালিয়াতির ঘটনায় দুদক মাহবুবুল হক চিশতী এবং তার পরিবারের পাঁচ সদস্য, ব্যাংকের সাবেক শীর্ষ কর্মকর্তাসহ ১৭ জনের বিদেশ যাওয়ার ক্ষেত্রে গত সপ্তাহে নিষেধাজ্ঞা জারি করে। তবে ওই তালিকায় ব্যাংকটির সাবেক চেয়ারম্যান মহীউদ্দীন খান আলমগীরের নাম নেই।
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়, ব্যাংকটির গ্রাহকের ঋণের ভাগ নিয়েছেন মহীউদ্দীন খান আলমগীর ও মাহবুবুল হক চিশতী। এর মাধ্যমে দু’জনের নৈতিক স্থলন ঘটেছে এবং তারা জালিয়াতির আশ্রয় নিয়েছেন।

২০১২ সালে রাজনৈতিক বিবেচনায় অনুমোদন দেয়া ফারমার্স ব্যাংকের কার্যক্রম শুরুর পরই অনিয়মে জড়িয়ে পড়েন কর্মকর্তারা। আস্থা সঙ্কট তৈরি হলে আমানতকারীদের অর্থ তোলার চাপ বাড়ে। পরিস্থিতির অবনতি হলে ব্যাংকটির চেয়ারম্যান পদ ছাড়তে বাধ্য হন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর ও নিরীক্ষা কমিটির চেয়ারম্যান মাহবুবুল হক চিশতী। পরিচালকের পদ থেকেও পদত্যাগ করেন তারা।

Top