সকাল ৮:৫৯
বিএনপি’র শুভ বুদ্ধির উদয় হবে : আইনমন্ত্রীদুর্নীতির বিরুদ্ধে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা : প্রধানমন্ত্রীদুর্নীতির বিরুদ্ধে সবরকম ব্যবস্থা গ্রহণ করবোস্ত্রীর জন্মদিন ভুললেই ডিভোর্স!স্বজনপ্রীতি হচ্ছে দুর্নীতির উল্টো পিঠযেই দুর্নীতি করুক ছাড় দেয়া হবে না : গণপূর্তমন্ত্রীআন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০১৯ এর আন্তঃমন্ত্রণালয় সভাপ্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হলেন জয়সৌদির ধর্মত্যাগী সেই কিশোরী নাম পাল্টালেনজাতিসংঘের এক তৃতীয়াংশ কর্মীই যৌন হয়রানির শিকার

শিক্ষার্থীরা আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠছে: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ফাইল ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রাথমিক ও অষ্টম শ্রেণির পরীক্ষা নিয়ে অনেকেই সমালোচনা করেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, এই পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস গড়ে উঠছে। পরীক্ষায় অংশগ্রহণ এবং সার্টিফিকেট পাওয়ার বিষয়টি তাদের সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার উৎসাহ হিসেবে কাজ করছে।
সোমবার (২৪ ডিসেম্বর) পিইসি, জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে নতুন বছরের নতুন বই বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন।
শেখ হাসিনা বলেন, পিইসি, জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষার মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস গড়ে উঠছে এবং তাদের সামনের দিকে এগিয়ে যেতে উৎসাহী করছে।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশকে গড়তে এবং শিক্ষিত জাতি গঠনের মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিতে প্রাথমিক শিক্ষাকে অবৈতনিক এবং বাধ্যতামূলক করে দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। জাতির জনকের এই কাজকে এগিয়ে নিতে নিরক্ষরতামুক্ত বাংলাদেশ গড়তে কাজ করে যাচ্ছি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা ৯৬ সালে ক্ষমতায় আসার পর দেশের বিজ্ঞান শিক্ষাকে এগিয়ে নিতে ও প্রযুক্তি জ্ঞান সম্পন্ন নতুন প্রজন্ম গড়ে তোলার পদক্ষেপ গ্রহণ করি। এরই অংশ হিসেবে বিজ্ঞান শিক্ষাকে উৎসাহী করতে ১২টি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছিলাম। কম্পিউটার শিক্ষায় আগ্রহী করতে কম্পিউটারের দাম কমিয়ে দেওয়াসহ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করি। এরই সুফল হিসেবে আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে সক্ষম হয়েছি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশকে অনেকদূর এগিয়ে নিতে আমরা কাজ করছি। ২০৪১ সাল ছাড়াও সুদূরপ্রসারি পরিকল্পনা আমাদের হাতে রয়েছে। ডেল্টা প্ল্যান প্রণয়নের মাধ্যমে আমরা আগামী ১০০ বছরের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছি। কারণ আমরা বিশ্বাস করি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য থাকলেই তা বাস্তবায়ন সম্ভব।
এ সময় শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষায় আগ্রহী করতে ও উন্নত জাতি গড়ার লক্ষ্যে সরকার ঠিক সময়ে পরীক্ষার ফল প্রকাশ ও বিনামূল্যের বই বিতরণের পাশাপাশি উচ্চশিক্ষার জন্য বৃত্তিরও ব্যবস্থা করেছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।
এর আগে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অনলাইন সিস্টেমে পিইসি ও অন্য পরীক্ষার ফল প্রকাশ করেন। পরে তিনি শিক্ষার্থীদের মধ্যে নতুন বছরের নতুন বই বিতরণ করে বিনামূল্যের পাঠ্যপুস্তক বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।
এবার জেএসসিতে পাসের হার ৮৫.২৮ শতাংশ এবং জেডিসিতে ৮৯.০৪ শতাংশ। জেএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬৮ হাজার ৯৫ জন শিক্ষার্থী। পিইসিতে পাসের হার ৯৭.৫৯ শতাংশ। পিইসিতে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩ লাখ ৬৮ হাজার ১৯৩ জন শিক্ষার্থী। এছাড়া ইবতেদায়িতে পাসের হার ৯৭.৬৯। জিডপিএ-৫ পেয়েছেন ১২ হাজার ২৬৮জন।

ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানের পরিচালনা করেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব নজিবুর রহমান। এ সময় শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান ফিজারসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Top