সকাল ৮:৫৫
ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে তারেক সাক্ষাৎকার নিচ্ছেনথার্টিফার্স্ট নাইটে কোনো অনুষ্ঠান নয় : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীআজকের সংখ্যা ১৮/১১/১৮দিনাজপুরে তিনদিন ব্যাপী প্রাণ চিনিগুড়া চাল নবান্ন উৎসব পালিতআজকের সংখ্যা ১৫/১১/১৮সোয়া দুই কোটি টাকায় বিক্রি হলো আত্মহত্যার চিঠিপালিত হচ্ছে বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবসনির্বাচন নিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কূটনীতিক ব্রিফ বৃহস্পতিবারচাঁপাইনবাবগঞ্জে সম্প্রীতি বাংলাদেশের সমাবেশআজকের সংখ্যা ১৪/১১/১৮

মায়ের গন্ধ মাখা পুজোর চারটে দিন

ডেস্ক: দুর্গাপুজো মানে ‘মা’। বলে উঠলেন যিশু সেনগুপ্ত। ইদানীং শুটের জন্য নিয়তই তাঁকে কলকাতা-মুম্বই করতে হচ্ছে। মুম্বইতে চলছে ‘মনিকর্ণিকা’-র শুট। আর কলকাতায় শুরু হয়ে গিয়েছে অপর্ণা সেনের ‘ঘরে বাইরে’, চলছে ‘এক যে ছিল রাজা’র প্রোমোশন। কিন্তু দুর্গাপুজোয় কলকাতা ছাড়া অন্য কিছু ভাবতেই পারেন না যিশু।

‘‘আসলে আমাদের পাড়ার পুজোটা আমার মা উদ্যোগী হয়ে করতেন। পাড়ার মেয়েরাই সবচেয়ে অ্যাক্টিভ ছিল এই পুজোতে। সেটা আমার মায়ের জন্য। ছেলেরা চাঁদা তোলার দায়িত্বে থাকত কেবল। মা চলে গেলেও মনে হয় এই পুজোর মধ্যে মা আছে। রোজ সত্যি মাকে মনে পড়ে না। কিন্তু পুজোর বাঁশ পড়তে দেখলেই মায়ের জন্য মন কেমন করে ওঠে…’’, যিশুর গলায় আবেগ।

দুর্গাপুজোয় প্যান্ডেলের কাছে থাকবেন বলে রীতিমতো গেস্ট হাউজ ভাড়া করে সপরিবার থাকেন যিশু-নীলাঞ্জনা।বাড়ি থেকে পুজোর সময় পুরনো পাড়ায় যাতায়াতে অসুবিধে। তাই এই অভিনব ব্যবস্থা।বন্ধুদের আড্ডা মারার আর ঘুমনোর জন্য আলাদা রুম নেওয়া হয়।

‘‘দুর্গাপুজোতে সব বারের মতো এ বারেও ঢাক বাজানো, অঞ্জলি দেওয়া থেকে ধুনুচি নাচ। সব আমার লিস্টে মাস্ট!দুর্গাপুজোয় আমি অভিনেতা যিশু সেনগুপ্ত নই একেবারেই। আমার বন্ধুবান্ধবেরা সকলে জানে। আমি তখন পুরোপুরি পাড়ার ছেলে। সারা বছর এই দিনগুলোর জন্যই তো তাকিয়ে থাকি,’’উত্তেজিত যিশু।

এমনিতেই বিশেষ ডায়েটের ধার ধারেন না। আর দুর্গাপুজোয় তো প্রশ্নই ওঠে না। ‘‘বিরিয়ানি কাবাব তো থাকবেই। আবার মাংসের ঝোলও চলবে। আর নিরামিষ আমি খাই না। আমার গুরুদেবের বারণ আছে।’’হাসতে হাসতে বললেন যিশু।

পাড়া, বন্ধুবান্ধব, মেয়েরা আর নীলাঞ্জনা— এই নিয়েই এ বছরের ‘এক যে ছিল রাজা’র পুজো প্ল্যান।সঙ্গে ধুতি-পাঞ্জাবি। আর প্রেম? ‘‘নাহ্, ওটা যা হওয়ার নীলাঞ্জনার সঙ্গেই হয়ে গেছে’’, সাফ জবাব যিশুর।

নতুন ছবি রিলিজ থেকে আড্ডা, যেভাবেই চলুক না কেন পুজো, যিশু মনে মনে তাঁর ছেলেবেলার মায়ের গন্ধই মেখে থাকেন পুজোর চারটে দিন। সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

Top