সকাল ৯:১২
ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে তারেক সাক্ষাৎকার নিচ্ছেনথার্টিফার্স্ট নাইটে কোনো অনুষ্ঠান নয় : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীআজকের সংখ্যা ১৮/১১/১৮দিনাজপুরে তিনদিন ব্যাপী প্রাণ চিনিগুড়া চাল নবান্ন উৎসব পালিতআজকের সংখ্যা ১৫/১১/১৮সোয়া দুই কোটি টাকায় বিক্রি হলো আত্মহত্যার চিঠিপালিত হচ্ছে বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবসনির্বাচন নিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কূটনীতিক ব্রিফ বৃহস্পতিবারচাঁপাইনবাবগঞ্জে সম্প্রীতি বাংলাদেশের সমাবেশআজকের সংখ্যা ১৪/১১/১৮

বিশ্বে মাত্র ৪০ জন মানুষের মধ্যে ‘গোল্ডেন ব্লাড’-এর অস্তিত্ব রয়েছে!

ডেস্ক : নেগেটিভ গ্রুপের রক্ত যাঁদের, বিপদের সময় তাঁদের রক্ত খুঁজে পেতে রীতিমতো হিমশিম খেতে হয় আত্মীয়-পরিজনদের। এই যেমন এবি নেগেটিভ (AB-), ও নেগেটিভ (O-), বি নেগেটিভ (B-) ইত্যাদি।

কিন্তু এমন কোনও রক্তের গ্রুপের কথা কী জানেন, যে গ্রুপের মানুষের সংখ্যা পৃথিবীতে সর্বসাকুল্যে পঞ্চাশেরও কম। অবিশ্বাস্য হলেও এটিই বিশ্বের বিরলতম রক্তের গ্রুপ। রক্তের এই গ্রুপ ‘গোল্ডেন ব্লাড’ নামে পরিচিত।

এই রক্তের আরএইচ সিস্টেমে ৬১ অ্যান্টিজেনের অস্তিত্ব ছিল না। এই রক্তের নাম দেওয়া হয় ‘আরএইচ-নাল’। সাধারণত, রক্তের কোষগুলোতে ৩৪২টি অ্যান্টিজেন থেকে। এই অ্যান্টিজেনগুলোর কম্বিনেশনই নির্ধারণ করে কোনও রক্তের গ্রুপ ঠিক কী হবে। এই অ্যান্টিজেনের ভিত্তিতে মানুষের রক্তকে চার ভাগে ভাগ করা হয়। সেগুলো হল- ‘এ’, ‘বি’, ‘এবি’ আর ‘ও’। প্রত্যেকটি রক্তের গ্রুপ আবার দু ভাগে বিভক্ত ‘পজেটিভ’ এবং ‘নেগেটিভ’। অর্থাত্, সব মিলিয়ে মানুষের শরীরে মোট আট রকমের রক্ত পাওয়া যায়। সেগুলো হল- ‘এ পজেটিভ’, ‘এ নেগেটিভ’, ‘বি পজেটিভ’, ‘বি নেগেটিভ’, ‘ও পজেটিভ’, ‘ও নেগেটিভ’, ‘এবি পজেটিভ’ ও ‘এবি নেগেটিভ’।

১৯৬১ সালে প্রথম এই গ্রুপের রক্তের সন্ধান পাওয়া যায়। তারপর থেকে এ পর্যন্ত বিশ্বে মাত্র ৪০ জন মানুষের মধ্যে ‘গোল্ডেন ব্লাড’-এর অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া গিয়েছে। এই ধরনের রক্ত বিরল হওয়ার কারণে এই গ্রুপটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘গোল্ডেন ব্লাড’। এই ‘গোল্ডেন ব্লাড’-এর অধিকারীদের মধ্যে ৯ জন নিয়মিত রক্ত দান করেন।

বর্তমানে বিশ্বের জনসংখ্যা প্রায় ৮০০ কোটি (৭.৬ বিলিয়নের বেশি)। যাদের মধ্যে গত ৫৭ বছরে এমন ৪০ জনকে পাওয়া গেছে, যাঁদের শরীরে এই বিরল গ্রুপের রক্ত রয়েছে।

Top