দুপুর ২:৫৭
যেই দুর্নীতি করুক ছাড় দেয়া হবে না : গণপূর্তমন্ত্রীআন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০১৯ এর আন্তঃমন্ত্রণালয় সভাপ্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হলেন জয়সৌদির ধর্মত্যাগী সেই কিশোরী নাম পাল্টালেনজাতিসংঘের এক তৃতীয়াংশ কর্মীই যৌন হয়রানির শিকারবিএনপি-জামায়াতের প্রতিবেদনই টিআইবির: তথ্যমন্ত্রীশেখ হাসিনাকে কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছাওষুধ ছাড়াই সাইনাস দূর করবেন যেভাবেসড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন ১৯ জানুয়ারি

তালগাছ প্রকল্প দেশব্যাপী সাড়া জাগিয়েছে

মো: মঈন উদ্দিন রায়হান : বাংলাদেশের প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে বিশেষ করে সাম্প্রতিক কালে বজ্রপাতে মৃত্যুর হার আশঙ্কাজনক বৃদ্ধিতে সরকার উদ্বিগ্ন। প্রাকৃতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন দেশের উঁচু বৃক্ষগুলো বজ্রপাতের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিতে কাজ করে। সে ক্ষেত্রে উঁচু বৃক্ষরাজির মধ্যে তালগাছ অন্যতম।
কিন্তু দুঃখের বিষয় হলেও সত্য, দেশে তালগাছের মত প্রাকৃতিক বিপর্যয় প্রতিরোধে সহায়ক একটি শক্তি দেশ থেকে বিলীন হতে যাচ্ছে।
আজ যখন তালগাছকে প্রাধান্য দিয়ে সরকার বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ করছে কিন্তু আজ থেকে ২০ বছর আগে নিরবে-নিভৃতে তালগাছ নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার রফিকুল ইসলাম।
বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পদক প্রাপ্ত একজন বৈশ্বিক চেতনাসম্পন্ন বৃক্ষপ্রেমিক মধ্যবয়সী তারুণ্যে ভরপুর এই মানুষটি ময়মনসিংহ জেলার গফরগাঁও উপজেলার পাগলা থানার বিভিন্ন এলাকায় একের পর এক তালের চারা রোপণ করে গেছেন রাস্তার দু’ধারে সেও ১৯৯৭ সালে ২০ বছর আগে। সেই তালের চারা এখন মহীরুহ হয়ে গফরগাঁও অঞ্চলে সাড়া জাগিয়েছে।
যে তালগাছ সময়ের বিবর্তনে দেশ থেকে হারিয়ে যেতে বসেছিল সেই তালগাছকে পুনরুজ্জীবিত করে রফিকুল ইসলাম আমাদের সজাগ করে দিলেন আমাদের অমূল্য প্রাকৃতিক সম্পদকে আমারা রক্ষা করব।
তালগাছ এক পায়ে দাঁড়িয়ে, সব গাছ ছাড়িয়ে সারা বাংলাদেশে একটি শৈল্পিক চিত্রকর্মকে যেন বাস্তবে রূপদান করবে এবং সেভাবেই এগিয়ে যাচ্ছেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব এর সৈনিক ময়মনসিংহ জেলা কৃষক লীগের সদস্য মোঃ রফিকুল ইসলাম।
রফিকুল ইসলাম বলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পদকে ভূষিত করেছেন এই গর্ব গফরগাঁওবাসি তথা সারা বাংলাদেশের। রফিকুল ইসলামের একটি চারা এখন তালগাছ প্রকল্পে উদ্ভাসিত। তিনিই এই প্রকল্পের পরিচালক।
তিনি জানান, বাংলাদেশ কৃষক লীগের সভাপতি মোতাহার হোসেন মোল্লা এবং সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট খন্দকার শামসুল হক রেজা তাকে অনুরোধ করে চিঠি প্রেরণ করেছেন টুঙ্গীপাড়ায় বঙ্গবন্ধু কমপ্লেক্স সংলগ্ন রাস্তার দুইপাশে তালগাছ রোপনের জন্য চারা উৎপাদন করতে।
যাতে তাল গাছের ছায়া সুশোভিত বঙ্গবন্ধু কমপ্লেক্স আরো চিত্রকর্ষক হয়ে প্রাণের স্পন্দনে জেগে উঠে।
২০১৭ সালের ১৬ জুলাই বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পদক প্রাপ্তির পর তালগাছ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক রফিকুল ইসলাম কাজ শুরু করেছেন।
এ ব্যাপারে রফিকুল ইসলামকে নিরন্তর সহযোগিতা করে যাচ্ছেন বৃক্ষ বিশেষজ্ঞ ড. মেহেদী মাসুদ। ড. মেহেদী মাসুদের পরামর্শক্রমে শফিকুল ইসলাম প্রকল্পের কাজ এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।
তালগাছের চারাগুলো পরিপক্ক হলেই টুঙ্গিপাড়ায় নিয়ে যাওয়া হবে এবং জননেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে চারাগুলো রোপণ করা হবে।
বিলুপ্তির পথ থেকে বাঁচিয়ে রাখতে বৃক্ষ প্রেমিক রফিকুল ইসলাম বেশি করে তালগাছসহ বিলুপ্ত প্রজাতির গাছগুলো রোপন করার আহ্বান জানান।

Top