রাত ৮:৩০
বন্ধ হচ্ছে গ্রামীণফোনের বিজ্ঞাপনঅধ্যাপক আনিসুজ্জামানের জন্মদিনবিরক্তিকর সহকর্মীকে মোকাবিলার কৌশল কি?আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে চলাচলে নির্দেশনাআমিরাতে চালু হচ্ছে শ্রমবাজারবিশ্ব ইজতেমা আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ হচ্ছে আজসংরক্ষিত নারী আসনে ৪৯ নারী সংসদ নির্বাচিতআবুধাবি পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রীদক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের ভূমিকম্পের ৪.৭ মাত্রাগুজব শেয়ার দিলে পরিণতি হবে ভয়াবহ

গণপরিবহনে সিটিং সার্ভিসের নামে নৈরাজ্য

ডেস্ক: রাজধানীর গণপরিবহনের ভাড়া নিয়ে আবার চলছে নৈরাজ্য। কোন নিয়ন্ত্রণ নেই সরকারের। যাত্রীদের জিম্মি করে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছে বাস, মিনিবাস, সিএনজি অটোরিকশা, লেগুনা, রিকশাসহ সকল গণপরিবহনের চালকরা। বাস-মিনিবাসের সিটিং সার্ভিস নামে চলছে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়। সব বাসেই এখন ১০ টাকার নিচে কোন ভাড়া নেয়া হয় না। তবে সিটিং সার্ভিস বিষয়ে সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)’র পক্ষ থেকে কমিটি গঠন করা হলেও এ নিয়ে কোন তৎপরতা নেই। ঈদের পরে বন্ধ হয়ে গেছে বিআরটিএ’র মোবাইল কোর্টের কার্যক্রম। তাই ফ্রি স্টাইলে চলছে সিএনজিচালিত অটোরিকশা।

সাধারণ মানুষের মতে, অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, ত্রুটিপূর্ণ ও নিম্নমানের যানবাহন এবং অতিরিক্ত যাত্রী বহনসহ নানা অভিযোগে নগরীতে বিষফোঁড়া হিসেবে দেখা দিয়েছে এই সিটিং সার্ভিস। এসব কিছু স্বীকার করে পরিবহন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সঠিক কোনো নীতিমালা না থাকায় নিজেরাও নিয়ন্ত্রণ করতে পারছেন না এ নৈরাজ্য। আর বিআরটিএ বলছে, খুব শিগগিরই নীতিমালা তৈরি করে সিটিং সার্ভিসের অনুমতি দিয়ে সমস্যার সমাধান করা হবে।

সিটিং কিংবা গেইটলক অথবা বিরতিহীন নামে কোনো শব্দ সিটি বাস সার্ভিসের রুট পার্মিটের কোথাও লেখা না থাকলেও নিজেদের প্রভাব এরই মধ্যে বিস্তার করতে সক্ষম হয়েছে গণপরিবহন সংশ্লিষ্টরা। কর্তৃপক্ষকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে, অর্থলোভেই মূলত নগরীতে সিটিং সার্ভিস নাম দিয়ে সীমাহীন যাত্রীদুর্ভোগের কারণ তৈরি করেছে পরিবহণ মালিকরা।

যাত্রী পরিবহনে নগরীতে প্রায় ১০ হাজার গণপরিবহনের চাহিদা থাকলেও রয়েছে প্রায় ৭ হাজার বাস। তাই পরিবহন সংকট থাকা অবস্থায় আবারো সিটিং এর নামে যাত্রী পরিবহনের পরিমাণ কমিয়ে ফেলা হচ্ছে। এতে জনদুর্ভোগ বাড়ছে বলে মনে করেন সাধারণ যাত্রীরা।

যাত্রীরা বলে থাকেন, ‘নাম রাখছে সিটিং কাজের বেলায় চিটিং। ২০ সিটের জায়গায় ৫০ সিট লাগায়, ১০ হাত পর পর লোক দেলেই আসেন, আসেন, যেখানেই যান সর্ব নিম্ন ভাড়া ২০ টাকা। তারা লেখা রাখছে, বিরতিহীন আসলে তারা বিবেকহীন। আমরা সিটিং হিসেবে উঠে দেখি এটা পুরোপুরি লোকাল। জায়গা থেকে মানুষ উঠাচ্ছে নামাচ্ছে। কিন্তু ভাড়া নিচ্ছে এক সিটের ভাড়া সাত আট বার।

Top