সন্ধ্যা ৬:৩৪
আমি বিবাহিত না : সিমলানড়াইলের মামলায় খালেদার ৬ মাসের জামিনমহাসড়কেও চলবে না ফিটনেসবিহীন গাড়ি: আইজিপিপ্রধানমন্ত্রী টুঙ্গিপাড়া যাচ্ছেন বুধবারভারতের সাবেক স্পিকার সোমনাথ চ্যাটার্জির মৃত্যুমন্ত্রিসভার বৈঠক চলছে১৫ আগস্টের ঘাতকরা এখনো সক্রিয় : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী২২ আগস্ট পবিত্র ঈদুল আজহামুক্তিযুদ্ধ ও সৎসঙ্গের অবদানে শহীদ বুদ্ধিজীবী প্যারী মোহন আদিত্যআজ জানা যাবে ঈদ কত তারিখ

কলাপাড়ায় ভুয়া এফিডেভিটে জমির মালিকানা দাবি

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি : পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় গোপনে এফিডেভিট করার এক বছর পরে অন্যের জমির মালিকানা দাবী করার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী জমির মালিক সোবাহান সিকদার বাদী হয়ে কলাপাড়া সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা করেছেন।
মিজানুর রহমানকে প্রধান আসামি করে মামলায় উল্লেখ করেন, উপজেলার নিশানবাড়িয়া মৌজার ৫৯০ নং এসএ খতিয়ানের তিন একর ৩৩ শতাংশ জমির মূল মালিক ময়নদ্দিন মৃধা। পর্যায়ক্রমে এজমি কয়েকজনের কাছে হস্তান্তরের পরে সর্বশেষ ২০০০ সালের ২৪ জুলাই সাব কবলা দলিলমূলে দুই একর ৬৬ শতাংশ জমির মালিক সোবাহান সিকদার গং। সোবাহান সিকদারের ওই জমি মামলার এক নম্বর আসামি মিজানুর রহমানের সাথে বিক্রির চুড়ান্ত চুক্তির দাবি করে মিজানুর রহমান ২০১৭ সালের ১৪ মার্চ তারিখে মামলার অন্য দুই আসামী মো. মজিবর আকন ও কায়েদে আজমের সহায়তায় ২৯৩ নম্বও একটি নোটারী পাবলিক এফিডেভিটের মাধ্যমে ওই জমির মালিক দাবি করেন। এফিডেভিটে জমির মালিক সোবাহান সিকদারকে দাতা দেখিয়ে ০.৬৬ শতাংশ জমি বাবদ মোট ১৫ লক্ষ টাকা মূল্য নির্ধারণ করে ১৪ লক্ষ টাকা বায়না বাবদ বুঝিয়ে দিয়ে এক লাখ টাকা বাকির কথা বলা হয়েছে।
সোবাহান সিকদার জানান, তাঁর ছবি লাগিয়ে জাল স্বাক্ষর দিয়ে একটি বানোয়াট এফিডেভিট তৈরি করা হয়েছে। গেল বছর ১৪ মার্চে করা ওই এফিডেভিট প্রায় এক বছর গোপন রেখে চলতি বছর ১৪ মার্চ প্রকাশ করে সোবাহান সিকদারের নিকট জমি দাবী করে। হতবাক সোবাহান সিকদার আইনজীবীর মাধ্যমে তল্লাসী করে এফিডেভিট ভুয়া নিশ্চিত হন। ওই এফিডেভিটের সহযোগীতায় ছিলেন অপর দুই আসামি মজিবর আকন ও কায়েদে আজম। এমনকি এবছর ২৭ মার্চ আইনজীবী আবুল বাশারের মাধ্যমে এফিডেভিটের চুক্তি মতে টাকা সোবাহান সিকদারকে পরিশোধ করে দলিল সম্পাদন করতে লিগ্যাল নোটিশ প্রদান করেন অভিযুক্ত মিজানুর রহমান। উপায় না পেয়ে সোবাহান সিকদার ৩ এপ্রিল আইনজীবী কামরুজ্জামানের মাধ্যমে লিগ্যাল নোটিশের জবাব প্রদান করে এ মামলা করেন সোবাহান সিকদার।
এফিডেভিট করা কালীন নোটারী পাবলিক কার্যালয়ে সোবাহান সিকদার উপস্থিত ছিলেন না এবং  কোন প্রকার লেনদেন হয় নাই মর্মে নোটারী পাবলিক আইনজীবী রকিবুল আহসান আল-মামুন লিখিতভাবে মতামত ব্যক্ত করেছেন। আইনজীবী আলতাফ হোসেন জানান, জমি ক্রয়-বিক্রয়ে এফিডেভিট গ্রহণযোগ্য নয়।
Top