সকাল ৯:৪৯
বিএনপি আত্মস্বীকৃত দুর্নীতিবাজ রাজনৈতিক দল : ওবায়দুল কাদেরমধু উৎপাদন বৃদ্ধি ও মৌমাছির নতুন প্রজাতি উদ্ভাবনে গবেষণা করুন : কৃষিমন্ত্রীসাবেক সংসদ সদস্য ইউসুফের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক৬৬ আরোহী নিয়ে ইরানি বিমান বিধ্বস্তআহারে ছোট বেলা!যে কারণে মরতে হয়েছিল টাইটানিকের নায়ককেওকে আগে এ ভাবে কখনও দেখিনি: বিরাট২১শে ফেব্রুয়ারিতে শহীদ মিনারে যাওয়ার পথ নির্দেশনাপ্রধানমন্ত্রী রাজশাহীতে ২৯টি প্রকল্প উদ্বোধন করবেনসংবাদ সম্মেলনে আসছেন প্রধানমন্ত্রী

মৃত্যুপরবর্তী কাজে স্বজনদের বিরক্ত না করতে উৎসব

ডেস্ক : ‘জন্মিলে মরিতে হবে, অমর কে কোথা কবে?’ এই সত্য সবারই জানা। তাই বলে বেঁচে থাকতেই মৃত্যুর জন্য রীতিমত উৎসব করতে হবে? প্রতি বছর ১৬ ডিসেম্বর এমনই এক উৎসবের আয়োজন হয় জাপানে।

‘শুকাটসু’ নামের এই উৎসব দেখলে মনে হবে কোনো ব্যক্তির শেষ বিদায়ের প্রস্তুতি চলছে। কফিনের ভেতরে শায়িত মানুষ। চোখ বন্ধ, দেহ নিথর। যেন কোনো মৃত ব্যক্তি শুয়ে আছেন। প্রতি বছরের মতো এবারো জাপানে হয়ে গেল এই উৎসব। এই উৎসবে একজন ‘মৃত্যু বিশেষজ্ঞ’ উপস্থিত থাকেন। তার জ্ঞানগর্ভ ভাষণের পর আপনি কফিনে শোয়ার অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারবেন। এ জন্য রীতিমতো লাইন লেগে যায়! প্রবীণ থেকে সদ্য নবীন হাসিমুখে টান টান হয়ে শুয়ে পড়েন কফিনে। তার আগে অবশ্য কফিন বাছাই করে নিতে হয়।

আয়োজকদের দাবি, মৃত্যু সম্পর্কে সচেতন হলে জীবনের গুরুত্ব বেড়ে যায়। বেঁচে থাকার কারণ উপলব্ধি করা যায়। তাই এমন আয়োজন। এ বছর হাজারো দর্শনার্থীর ভিড়ে উৎসবে স্থান পেয়েছে নানা ধরনের কফিন, সমাধিপ্রস্তর, শবযান ও মৃত্যুর পর অবশিষ্টাংশ আকাশে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা। এ ছাড়া পেশাদার কফিন প্রস্ততকারকরা তাদের নানা দক্ষতা প্রদর্শন করেছেন এ উৎসবে। পাশাপাশি মৃত্যুর পর তাদের দেহ নিয়ে কী করা হবে, এ বিষয়ে নানা ধারণা দেয়া হয় সেখানে। জাপানের বেশ কয়েকটি বড় প্রতিষ্ঠানও উৎসবে অংশ নিয়েছে।

মৃত্যু পরবর্তী নানা কাজের জন্য আত্মীয়-স্বজনকে বিরক্ত করার প্রবণতা দূর করতেই নাকি ‘শুকাটসু’ উৎসবের শরণাপন্ন হচ্ছেন জাপানিরা।

সূত্র: রাইজিংবিডি

Top