সকাল ১১:২০
ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে তারেক সাক্ষাৎকার নিচ্ছেনথার্টিফার্স্ট নাইটে কোনো অনুষ্ঠান নয় : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীআজকের সংখ্যা ১৮/১১/১৮দিনাজপুরে তিনদিন ব্যাপী প্রাণ চিনিগুড়া চাল নবান্ন উৎসব পালিতআজকের সংখ্যা ১৫/১১/১৮সোয়া দুই কোটি টাকায় বিক্রি হলো আত্মহত্যার চিঠিপালিত হচ্ছে বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবসনির্বাচন নিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কূটনীতিক ব্রিফ বৃহস্পতিবারচাঁপাইনবাবগঞ্জে সম্প্রীতি বাংলাদেশের সমাবেশআজকের সংখ্যা ১৪/১১/১৮

মৃত্যুপরবর্তী কাজে স্বজনদের বিরক্ত না করতে উৎসব

ডেস্ক : ‘জন্মিলে মরিতে হবে, অমর কে কোথা কবে?’ এই সত্য সবারই জানা। তাই বলে বেঁচে থাকতেই মৃত্যুর জন্য রীতিমত উৎসব করতে হবে? প্রতি বছর ১৬ ডিসেম্বর এমনই এক উৎসবের আয়োজন হয় জাপানে।

‘শুকাটসু’ নামের এই উৎসব দেখলে মনে হবে কোনো ব্যক্তির শেষ বিদায়ের প্রস্তুতি চলছে। কফিনের ভেতরে শায়িত মানুষ। চোখ বন্ধ, দেহ নিথর। যেন কোনো মৃত ব্যক্তি শুয়ে আছেন। প্রতি বছরের মতো এবারো জাপানে হয়ে গেল এই উৎসব। এই উৎসবে একজন ‘মৃত্যু বিশেষজ্ঞ’ উপস্থিত থাকেন। তার জ্ঞানগর্ভ ভাষণের পর আপনি কফিনে শোয়ার অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারবেন। এ জন্য রীতিমতো লাইন লেগে যায়! প্রবীণ থেকে সদ্য নবীন হাসিমুখে টান টান হয়ে শুয়ে পড়েন কফিনে। তার আগে অবশ্য কফিন বাছাই করে নিতে হয়।

আয়োজকদের দাবি, মৃত্যু সম্পর্কে সচেতন হলে জীবনের গুরুত্ব বেড়ে যায়। বেঁচে থাকার কারণ উপলব্ধি করা যায়। তাই এমন আয়োজন। এ বছর হাজারো দর্শনার্থীর ভিড়ে উৎসবে স্থান পেয়েছে নানা ধরনের কফিন, সমাধিপ্রস্তর, শবযান ও মৃত্যুর পর অবশিষ্টাংশ আকাশে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা। এ ছাড়া পেশাদার কফিন প্রস্ততকারকরা তাদের নানা দক্ষতা প্রদর্শন করেছেন এ উৎসবে। পাশাপাশি মৃত্যুর পর তাদের দেহ নিয়ে কী করা হবে, এ বিষয়ে নানা ধারণা দেয়া হয় সেখানে। জাপানের বেশ কয়েকটি বড় প্রতিষ্ঠানও উৎসবে অংশ নিয়েছে।

মৃত্যু পরবর্তী নানা কাজের জন্য আত্মীয়-স্বজনকে বিরক্ত করার প্রবণতা দূর করতেই নাকি ‘শুকাটসু’ উৎসবের শরণাপন্ন হচ্ছেন জাপানিরা।

সূত্র: রাইজিংবিডি

Top