রাত ১:২৫
প্রধান তথ্য কমিশনার মরতুজা আহমদের যোগদানবড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে নিয়োগের দাবিতে সংবাদ সম্মেলনরাশিয়ায় তাপমাত্রা মাইনাস ৬৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস!মৃত্যুপরবর্তী কাজে স্বজনদের বিরক্ত না করতে উৎসবপ্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলে ২০ প্রতিষ্ঠানের অনুদান প্রদানপাঁচ দিনের সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রণব মুখার্জিবিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব আগামীকাল থেকে শুরুনির্যাতনের শিকার পূর্ণিমা শীলকে নিয়োগ দিলেন তথ্য প্রতিমন্ত্রীনিষেধাজ্ঞা উঠে গেল চার রাজ্যেযশোরে শতবর্ষী গাছ কাটার সিদ্ধান্ত হাইকোর্টে স্থগিত

বিচারকদের শৃঙ্খলাবিধির গেজেট গ্রহণ আপিল বিভাগের

আদালত প্রতিবেদক : নিম্ন আদালতের বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলাবিধি নিয়ে সরকারের প্রণয়ন করা গেজেট সর্বসম্মতভাবে গ্রহণ করেছে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি মোঃ আবদুল ওয়াহ্হাব মিঞার নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ বুধবার এ গেজেট গ্রহণ করেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে গেজেটের ওপর শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। এছাড়াও গেজেটের বিরোধিতা করে শুনানি করেন ব্যারিস্টার আমীর-উল ইসলাম। এর আগে মঙ্গলবার গেজেট নিয়ে আদেশের জন্য বুধবার দিন ধার্য করেন আপিল বিভাগ।

গেজেট গ্রহণের সময় আদালত বলেন, সরকারের প্রণয়নকৃত গেজেটে নিম্ন আদালতের বিচারকদের ওপর আমাদের (সুপ্রিম কোর্টের) কর্তৃত্ব বজায় রয়েছে।

এর আগে ২০১৭ সালের ১৩ ডিসেম্বর বিচারক শৃঙ্খলা বিধি নিয়ে আদেশের জন্য ২০১৮ সালের ২ জানুয়ারি দিন ধার্য করা হয়।

তারও আগে ১১ ডিসেম্বর এ সংক্রান্ত গেজেট জারি করা হয়। বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলা ও আচরণ বিধিমালার গেজেট প্রকাশে সরকারকে ১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছিলেন আপিল বিভাগ।

তবে তার আগে ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় দিয়েছিলেন আপিল বিভাগ। গত ৫ নভেম্বর আপিল বেঞ্চে গেজেট প্রকাশে রাষ্ট্রপক্ষের করা চার সপ্তাহের সময়ের আবেদনের শুনানিতে অ্যাটর্নি জেনারেল জানিয়েছিলেন, আইনমন্ত্রী বিষয়টি নিয়ে বসতে চান। এর মধ্যে গত ১৬ নভেম্বর রাতে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতিদের সঙ্গে বৈঠক করেন আইনমন্ত্রী।

মাসদার হোসেন মামলার চূড়ান্ত শুনানি করে ১৯৯৯ সালের ২ ডিসেম্বর সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ সরকারের নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগকে আলাদা করতে ঐতিহাসিক এক রায় দেন।

ওই রায়ে আপিল বিভাগ বিসিএস (বিচার) ক্যাডারকে সংবিধান পরিপন্হি ও বাতিল ঘোষণা করে। একইসঙ্গে জুডিশিয়াল সার্ভিসকে স্বতন্ত্র সার্ভিস ঘোষণা করা হয়। বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগ থেকে আলাদা করার জন্য সরকারকে ১২ দফা নির্দেশনা দেন সর্বোচ্চ আদালত।

Top