সকাল ১১:৫৪
আজকের সংখ্যা ১৯/১১/১৮ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে তারেক সাক্ষাৎকার নিচ্ছেনথার্টিফার্স্ট নাইটে কোনো অনুষ্ঠান নয় : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীআজকের সংখ্যা ১৮/১১/১৮দিনাজপুরে তিনদিন ব্যাপী প্রাণ চিনিগুড়া চাল নবান্ন উৎসব পালিতআজকের সংখ্যা ১৫/১১/১৮সোয়া দুই কোটি টাকায় বিক্রি হলো আত্মহত্যার চিঠিপালিত হচ্ছে বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবসনির্বাচন নিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কূটনীতিক ব্রিফ বৃহস্পতিবারচাঁপাইনবাবগঞ্জে সম্প্রীতি বাংলাদেশের সমাবেশ

পোপ ফ্রান্সিস ঢাকা আসছেন বিকেলে

ডেস্ক : রোমান ক্যাথলিক চার্চের প্রধান ধর্মগুরু পোপ ফ্রান্সিস বাংলাদেশে আসছেন বৃহস্পতিবার (৩০ নভেম্বর)। বাংলাদেশ সরকারের আমন্ত্রণে পোপের এ সফর একই সঙ্গে রাষ্ট্রীয় ও পালকীয়। ভ্যাটিকান বা হলি সিটির রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে বাংলাদেশ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সঙ্গে সাক্ষাতের পাশাপাশি তিনি ধর্মীয় অনুষ্ঠানাদিতেও অংশ নেবেন।

এদিন বেলা ৩টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পোপকে স্বাগত জানাবেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। এ সময়২১ বার তোপধ্বনি দিয়ে পোপকে বাংলাদেশে স্বাগত জানানো হবে।বিকাল ৪টায় পোপ সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শহীদদের শ্রদ্ধা জানাবেন।

এরপর বিকাল ৪টা ৪৫ মিনিটে তিনি ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধু জাদুঘরে যাবেন। সেখান থেকে বঙ্গভবনে গিয়ে পোপ রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। সন্ধ্যায় পোপ সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা ও কূটনীতিকদের সঙ্গে রাষ্ট্রপতি ভবনে সাক্ষাৎ করবেন।

সফরের দ্বিতীয় দিনে পোপ আগামীকাল সকাল ১০টায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে খিস্ট্র ধর্মীয় উপাসনা ও যাজক অভিষেক অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। সেখানে তিনি প্রায় ৮০ হাজার খ্রিস্টভক্তসহ লাখো মানুষের সমাবেশে বক্তৃতা করবেন। বেলা ৩টা ২০ মিনিটে পোপ ফ্রান্সিস প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। এরপর বিকাল ৪টায় তিনি কাকরাইলে চার্চে যাবেন।

সফরের শেষদিন শনিবার সকাল ১০টায় পোপ তেজগাঁও মাদার তেরেসা হাউজে যাবেন। সেখানে খ্রিস্ট ধর্মীয় নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের পর দুপুর পৌনে ১২টায় হলি রোজারি চার্চে যাবেন। এরপর বেলা ৩টা ২০ মিনিটে মতিঝিলে নটর ডেম কলেজে তরুণদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। ওইদিন বিকাল ৫টায় পোপ ফ্রান্সিস ঢাকা ছাড়বেন।

পোপের আগমন উপলক্ষে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে। পুলিশের পক্ষ থেকে নেয়া হয়েছে পাঁচ স্তরের নিরাপত্তা। সরকারের পাশাপাশি খ্রিস্ট ধর্মীয় সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকেও পোপের সফরকে মসৃণ করতে চলছে নানা রকম প্রস্তুতি।

Top